গল্পঃ ভালো আছি আমি ২

গল্পঃ ভালো আছি আমি

(দ্বিতীয় পর্ব)

তাসফি আহমেদ

.
হঠাৎ করেই মেয়েটাকে দেখলাম। সত্যি বলতে তাকে দেখার জন্যে আমি একদমই প্রস্তুত ছিলাম না। আমি ভাবতেও পারিনি যে তার সাথে আমার আবার দেখা হবে। আমি খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে হাসলাম। সে আমার রুমের ভেতর ঢুকল না। বাইরে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ল। আমি নিজের ডেক্সে বসে থেকে হাত নাড়লাম। মেয়েটা কিছু একটা ইশারা করল যেন৷ আমি ঠিক বুঝতে পারিনি। গ্লাসের ওপাশ থেকে শব্দ আসে না। আমি ইশারায় তাকে ভেতরে আসতে বললাম৷ সে ভেতরে আসল। আমি বসতে বললাম। সে বসল না৷ বলল,
-কী খবর আপনার?
আমি মৃদু হাসলাম। বললাম,
-আলহামদুলিল্লাহ। খুব ভালো৷ আপনার কী অবস্থা?
-এই তো। চলছে। ব্যস্ত খুব?
আমি ইশারায় ডেক্সের উপরের ফাইল গুলো দেখালাম। বললাম,
-কেন? কোন কাজ ছিল কী?
সে হাসল। অন্যরকম হাসি। বলল,
-একসাথে কফি খাওয়ার ইচ্ছে৷
আমি বললাম,
-দেখতেই তো পাচ্ছেন। কাজের কী প্রেশার। ব্যাংকের জব তো!
সে হাসিমুখে বলল,
-বুঝতে পেরেছি। আমারও তাড়া আছে খানিক। অন্য একদিন দেখা হবে আশা করি।
আমি মৃদু হাসলাম। মেয়েটাও হেসে বিদায়  নিল। মেয়েটার সাথে দেখা হয়েছে ট্রেনে। নাম মীরা৷ পুরো পথে ওকে আমি আমার জীবনের গল্পটা বললাম। সে, তার বান্ধুবি এবং এক বয়স্ক ভদ্রলোক আমার গল্পটা শুনলেন। এরপরই সবার সাথে পরিচিত হই। আমার স্টেশন আসতেই আমি নেমে যাই৷ এতো দিনে আমি সে কথা ভুলেও গিয়েছিলাম। মেয়েটার কথাও। কিন্তু আমাদের যে আবার দেখা হবে সেটা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। যাই হোক, আমি নিজের কাজে মনযোগী হলাম। কাজ শেষ করতে প্রায় পাঁচটার বেশি বেজে গেল। অফিস থেকে বের হয়ে দেখলাম যে সন্ধ্যার বেশি বাকি নেই। রাস্তার কাছে এসে দাঁড়ালাম। রিক্সাকে ডাক দিবো ঠিক তার কয়েক সেকেন্ড আগে কোত্থেকে যেন মেয়েটা এসে হাজির হলো৷ আমি খানিকটা অবাক ও অপ্রস্তুত হয়ে বললাম,
-আরেহ? আপনি?
মীরা হাসল। বলল,
-হ্যাঁ। আমি৷ আপনার সাথে এক কাপ কফি খাওয়ার ইচ্ছেটা সেদিন থেকেই ছিল। কিন্তু আপনাকে তো আর পাইনি। আজ যখন পেয়ে গেলাম তাই আর দেরি করতে মন চায়নি। তাই বাসায় গিয়ে আবার চলে এলাম। আমার বাসাও অবশ্য এখান থেকে বিশেষ দূরে নয়৷
আমি তাড়া দেখিয়ে বললাম,
-বাসায় যেতে হয় যে! সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে।
মেয়েটা কেমন মন মরা একটা স্বরে বলল,
-আমি সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি আপনার জন্যে। কখন আপনি বের হবেন আর আমি আপনার সাথে কফি খাবো৷
সত্যি বলতে খানিকটা চমকে উঠলাম আমি। মেয়েটা আমার জন্যে অপেক্ষা করছে? আমার জন্যে? কিন্তু কেন?

সে এমন ভাবে বলল যে আমার আর না করতে ইচ্ছে হলো না৷ নরীর আবদার পুরুষের সহজে ফেলতে পারে না৷ আমি  বললাম,
-এখানে ভালো কোনো কফিশপ তো আমি চিনি না।
মেয়েটা খানিকটা উৎফুল্লের স্বরে বলল,
-আমি চিনি তো। আপনি কেবল যেতে অনুমতি দিলেই হবে৷
আমি হাসলাম। বললাম,
-চলুন। তবে বেশি সময় নেয়া যাবে না৷ বাসায় মা একা।
মীরা দ্রুত বলল,
-বেশি সময় নিবো না। কেবল এক কাপ কফি খেতে যা সময় লাগে৷
এই বলে মীরা একটা রিক্সা ডাকল। আমরা রিক্সায় উঠলাম। মীরার পরনে জিন্স আর সেলোয়ার-কামিজ। গাঢ় সবুজ রঙের সেলোয়ার। তাকে বেশ মানিয়েছে। চোখে কাজল দেয়া। মীরার চোখ দুটো খুব সুন্দর। কাজল দেওয়ায় আরো চমৎকার লাগছে। মীরা আমার পাশে বেশ সাবলীল ভাবে বসল৷ আমি খানিকটা ইতস্তত করলাম৷ কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখল। দূরত্বের ব্যাপার মীরার খবর নেই৷ তাকে বেশ খুশি খুশি লাগছে৷ চেহারা বেশ উজ্জ্বল। এই মেয়েটার হঠাৎ আমার সাথে কফি খাওয়ার ইচ্ছের কারণটা আমি ঠিক বুঝতে উঠতে পারলাম না৷ তবে যা অনুমান করছি তা না হলেই ভালো হয়৷ আমরা একটা কফিশপে গেলাম। কফি খাওয়া হলো৷ ওর সাথে দারুণ একটা সময় কাটল আমার। উঠার সময় আমি বিল পে করতে গেলাম। সে কোনো ভাবেই তা মানল না৷ আমি জোর করলাম। সে গাল ফুলালো৷ আমি বললাম,
-ঠিক আছে। আপনিই দিন৷
সে এক গাল হাসল। তারপর বেরিয়ে এসে তাকে রিক্সা ডেকে দিলাম। সে আমাকে ধন্যবাদ জানিয়্র বিদায় নিলো। আমি মৃদু হেসে তাকে বিদায় জানালাম। মনে মনে দোয়া করলাম আমাদের যেন আর দেখা না হয়৷ বলতে গেলে আমি সেদিনের কফি খাওয়ার কথাটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেললাম। অনেকটা ভুলতে বসলাম। কিন্তু তা আর হলো না। মেয়েটা আবার এসে হাজির হলো৷ তখন আমাদের প্রথম কফি খাওয়ার তিন দিনও ঠিক ভাবে পেরোয়নি৷ সেদিন এক জায়গায় ঘুরতে নিয়ে গেল। এরপরের দিন অন্য এক জায়গায়। মেয়েটা হুট করেই যেন আমার সাথে মিশে যচ্ছে। আমার বিশ্বাস সে ইচ্ছে করেই এমন করছে। আমি কী করবো কিংবা আমার কী করা উচিৎ তা ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। আমার অফিসে আসাটা যেন তার নিত্য একটা রুটিন হয়ে গিয়েছে। সেদিন তো বেলা তিনটায় এসে হাজির। আমি তখন মিটিং রুমে। দূর থেকে তাকে দেখেই খানিকটা বিচলিত হলাম৷ অস্বস্তি কাজ করতে থাকল। তবে তা প্রকাশ করলাম না৷ মিটিং শেষে বেরিয়ে বললাম,
-হঠাৎ এই সময়?
-বাসায় একা একা বোর হচ্ছিলাম৷ তাই ভাবলাম আপনার এখানে চলে আসি। গল্পটল্প করি৷
-আমার তো কাজ আছে।
-সমস্যা নেই। আমি অপেক্ষা করবো৷
আমি খানিকটা এড়িয়ে যেতে চাইলাম। কারণ আমার মনে হচ্ছে, এসব বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে৷ তার সাথে এমনভাবে মেশাটা ঠিক নয়। বললাম,
-কেন খামখা কষ্ট করছেন? আপনার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলেই তো পারতেন।
-বন্ধুরা নেই বলেই তো আপনার এখানে আসা। আচ্ছা আপনি কি বিরক্ত হচ্ছেন।
আমি বিরক্তি প্রকাশ না করে বললাম,
-জ্বী না। ঠিক তা নয়। তবে...
-তবে? আমার সাথে গল্প করতে সমস্যা?
-সেটাও নয়।
-তাহলে?
তাকে এড়িয়ে চলা যেন কষ্টসাধ্য। এতো প্রশ্ন করে যে বলার মতো না৷ বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। কোনো মতে বললাম,
-তাহলে কিছু নয়৷ আপনি ওয়েটিং রুমে বসুন। আমি এই কাজ গুলো শেষ করে আসছি।
-এই কথাটা একটু আগে বললে এতগুলো কথা বলতে হতো না আমার। হুহ৷
মেয়েটা নাক উঁচিয়ে চলে গেল। আমি হাসলাম খানিক। কাজ শেষ করে বের হতে খানিকটা দেরিই হলো। ওয়েটিং রুমে গিয়ে বললাম,
-খুবই দুঃখিত৷ আপনাকে এতোক্ষণ বসিয়ে রাখলাম।
-না না। দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই৷ আপনি আমাকে সঙ্গ দিতে রাজি হয়েছেন এইই অনেক।
আমি হাসলাম। সে এগিয়ে এসে বলল,
-চলুন।
আমি তার পেছন পেছন বেরিয়ে এলাম। সে আমাকে একটা জায়গায় নিয়ে গেল। এখানে এসে দেখলাম আরো অনেকেই জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে। কেউ দাঁড়িয়ে আছে। গল্প করছে। আমার কেমন জানি লাগল। মেয়েটা আমাকে এখানে নিয়ে এলো কেন? বললাম,
-এদিকে এলেন যে?
মেয়েটা অবাক স্বরে বলল,
-কেন? আপনার পছন্দ হয়নি?
-ঠিক তা নয়। তবে দেখছেন না কী অবস্থা  এখানে। এটা কেবল তাদের জন্যেই। আমাদের জন্যে না।
-ভুল ধারণা। এটা সকলের জন্যেই উন্মুক্ত। কাপল এসে ভীড় করে কেবল। অবশ্য জায়গাটা তাদের জন্যেই পার্ফেক্ট। তাই না?
-হ্যাঁ। আমি তাইই বলতে চাইছিলাম।
-আচ্ছা। বাদ দিন সে কথা৷ আপনি কি প্রতিদিন এমন স্মার্ট হয়ে অফিসে আসেন?
আমি লজ্জা পেলাম খানিক। কী বলব ভেবে পেলাম না। সে বলল,
-আপনার অফিসে তো মেয়ে কলিগ আছে। তা তারা কি লাইন টাইন মারে?
আমি হাসলাম। বললাম,
-আমার তেমন মনে হয়নি। তবে কথাবার্তা হয়। ভালোই লাগে।
মীরা দাঁড়িয়ে গেল। বলল,
-আপনার ভালো লাগে?
-কেন? এমন ভাবে বলছেন যেন আমার ভালো লাগাটা অপরাধ!
-অবশ্যই অপরাধ। আপনার কেন ভালো লাগবে? আপনার ভালো লাগতে পারবে না।
-আশ্চর্য। কেন?
-জানি না।
মীরা যেন রাগ দেখালো। অভিমান হলো তার। যেন আমি তার প্রেমিক৷ আমার উপর সে অভিমান করছে। আমি কথা বাড়ালাম না। ধীরে ধীরে হাঁটতে থাকলাম।  মীরা আবার বলল,
-আপনি আর এভাবে আসবেন না। এতো স্মার্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই৷ সব সময় স্যুট পরে আসার প্রয়োজন নেই। আর কালো স্যুট পরবেন না একদম। লাল স্যুট পরবেন।
-মীরা, আমি আপনার কিছু কথার মানে মোটেও বুঝতে পারি না৷
-বুঝতে হবে না। আর আপনি আমাকে তুমি করে বলবেন। আপনি করে বললে খবর আছে।
আমি মৃদু হাসলাম। আমার কেমন জানি ভালো লাগল। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো৷ খুব পুরনো অথচ কী তরতাজা অবাধ্য এক অনুভূতি। আমরা একসাথে ধীরে ধীরে সামনে এগিয়ে গেলাম। আকাশে তখন বিশাল চাঁদ৷ আপন মনে নিজের রূপ জনে জনে বিলি করছে৷ তার কিছু আলো আমাদেরও ছুঁয়ে দিচ্ছে। গাছের ফাঁক গলে আমার গায়ে পড়ছে। আমার পাশে থাকা রাগী, অভিমানি মেয়েটার গায়ে পড়ছে। তার রাগত চেহারায় পড়ছে। তাকে অদ্ভুত সুন্দর লাগছে। আমি, শাকের আহমেদ, এই মূহুর্তে আমার পাশে একটা চাঁদ কে নিয়ে হাঁটছি৷ একজন অত্যাধিক রূপবতীকে নিয়ে হাঁটছি৷ আমার ভালো লাগছে। কিছু অবাধ্য ভালো লাগা কেবল।
.
মেয়েটা নিত্য আসতেই থাকল৷ আমাকে নিয়ে ওখানকার বিভিন্ন জনপ্রিয় জায়গায় ঘুরতে গেল। মেয়েটার মাঝে বাচ্চা সুলভ কিছু একটা আছে। যেটা আমাকে বারংবার তার প্রতি আকৃষ্ট করে৷ এমন করে অনুরোধ করে যে সেই অনুরোধ না রেখে পারা যায় না। আমি বেশ বুঝতে পারছি, আমি অন্যায় করছি৷ এটা ঠিক হচ্ছে না। মেয়েটার কাছ থেকে দূরে চলে যাওয়া উচিৎ। অথচ আমি সেটা মোটেও পারছি না৷ তাকে যেন এড়িয়ে চলাই যায় না৷ সম্ভব হয় না৷ সেদিন ফুটপাত ধরে হাঁটছিলাম। হঠাৎই মীরা দাঁড়িয়ে গেল। হা করে সামনের দিকে তাকিয়ে থাকল। যেন সে মারাত্মক রকমের অবাক হয়েছে৷ আমি ওর দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকাতেই দেখলাম একটা ছেলেকে৷ ছেলেটা চাদুর গায়ে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটাকে কেমন জানি লাগল। অদ্ভুত রকম। মীরা চট করে দৌড়ে গেল ছেলেটার দিকে৷ আমি অবাক হলাম। মীরার পেছন পেছন গেলাম। মীরা যেন মাত্রাতিরিক্ত অবাক হলো৷ মুখে হাত দিয়ে তাকিয়ে থাকল ছেলেটার দিকে। চোখে মুখে তার ভীষণ মুগ্ধতা৷ আমার খানিকটা হিংসে হলো। কেন হিংসে হলো সেটা ঠিক বুঝতে পারলাম না৷ মীরা খানিকটা শব্দ করে বলে উঠল,
-তাসফি ভাইয়া?
ছেলেটা অবাক হয়ে তাকালো৷ তার ভ্রু কুচকে এলো৷ মীরা বলল,
-ভাইয়া, আমি আপনার গল্পের অনেক বড় ভক্ত। আপনার প্রতিটা গল্প আমি পড়ে ফেলেছি৷ আপনার লিস্টে এড হওয়ার পরেই খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে আমি আপনার সব গুলো গল্প পড়ে ফেলেছি। আপনি এতো ভালো লিখেন!
মীরা ছেলেটার প্রশংসা করছিল৷ অথচ আমার গা যেন জ্বলে যাচ্ছিল। আমি বুঝে উঠলাম না কেন এমন হচ্ছে। ছেলেটা হতবম্ভ হয়ে বলল,
-আপনি যে এতো বিশেষণ যোগ করছেন, আমি কি আসলেই তা প্রাপ্য? আমার তো তা মনে হয় না। আমার লিখা তত ভালো নয়৷ ন্যাকা ন্যাকা লেখা। কেবল টিন এজের ছেলে মেয়েরা আমার গল্প পড়ে। আমি জানি আমি কেমন লিখি।
-উহু৷ আপনি ভুল ভাবছেন ভাইয়া। আপনি আসলেই অসাধারণ লিখেন৷
-কই? আমার কাছে তেমন মনে হয় না৷
-আপনার মনে হয় না৷ তবে আপনার পাঠকদের মনে হয়৷ নিশ্চিন্তে লিখে যাবেন৷ আপনি অনেক ভালো লিখেন৷ আমি বলছি৷
ছেলেটা এক গাল হেসে বলল,
-আমি অনুপ্রাণিত হলাম। ধন্যবাদ।
ছেলেটার এই হাসি দেখে আমার গা টা আরো জ্বলে গেল। ইচ্ছে হলো তার নাক বরাবর দেই একটা৷ মীরা বলল,
-তা ভাইয়া, মিহিন ভাবিকে দেখছি না যে?
-আসলে আমি নিজেও দেখিনি তো৷ তাই আপনিও দেখছেন না৷
মীরা হেসে উঠল। সাথে সাথে ছেলেটাও হেসে উঠল৷ আমি কেবল লোক দেখানো হাসি দিলাম। তার আরো কিছু সময় কথা বলল। মীরা ছেলেটাকে ডিনার করাতে চাইলো৷ কিন্তু ছেলেটা রাজি হলো না৷ অনেক রিকোয়েস্ট করার পরও রাজি হয়নি৷ এতে আমি মোটামুটি ভালোই খুশি হয়েছি৷ এ জন্যে তাসফি নামক ছেলেটাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিৎ! পরেরবার দেখা হলে দিয়ে দিবো। কিন্তু আমার এ রকম বিরূপ অনুভূতির কারণ আমি খুঁজে পেলাম না৷ তাহলে কী আমিও  মীরা মেয়েটার প্রতি উইক হয়ে পড়ছি? খুব উইক হচ্ছি? না না৷ এটা হতে দেওয়া যাবে না৷ কোনো ভাবেই না৷ মীরা মেয়েটার জীবন আমি এভাবে ধ্বংস করতে পারি না৷ কোনো ভাবেই না৷ মীরার সাথে কথা বলতে হবে৷ তাকে এভয়েড করে যেতে হবে৷ আমার কষ্ট হলেও করে যেতে হবে৷


চলবে...

তৃতীয় পর্ব Click Here
প্রথম পর্ব Click Here

ভুলত্রুটি মার্জনীয়
-তাসফি আহমেদ।



Bangla-golpo-valobashar-golpo.jpg

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url